1. admin@dhakapost71.com : admin :
  2. dhakapost71@gmail.com : dhakapost71 :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৪২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কবিরহাটে ছোট ভাইয়ের জায়গা দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন টাঙ্গাইলে শিশু ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার ইউএনও গোলাম রব্বানী সরকারকে নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে একটি মহল, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি। মাধবপুর পৌরসভার উন্নয়ন তহবিল থেকে ১ নম্বর ওয়ার্ডের বটগাছা মোড়া কবরস্থানে বরাদ্দ, এলাকাবাসীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ। পোরশায় জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা সরকারি হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা দূর করতে প্রয়োজন পরিকল্পিত কর্মসূচি – সাভারে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বরগুনা আলিয়া মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর রশিদ ভূঁইয়ার মৃত্যুতে ওলামা দল নেতা আব্দুল মোতালেবের শোক। প্রতারক চক্রের ফোন নম্বর শনাক্ত, আর্থিক লেনদেন না করতে জনসাধারণকে সতর্ক করলেন বেনাপোল পোটথানার ওসি শহীদ তিতুমীর।। পোরশায় স্থানীয়দের সহায়তায় ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, ৩২ পিস ট্যাপেন্টাডল জব্দ নারীর স্বাস্থ্যসুরক্ষা ও স্বাবলম্বিতা একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত রাষ্ট্র গঠনের অন্যতম ভিত্তি: চীফ হুইপ নুরুল ইসলাম মণি।

সোনারগাঁয়ে হত্যা মামলার বাদী চেনে না আসামিকে

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৪
  • ১৩৫ বার পঠিত

চট্টগ্রাম স্টাফ রিপোর্টার মোঃ জিহান

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে বাদী চেনে না আসামিকে। অথচ ডেমরা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে থানায় করা হয়েছে হত্যা মামলা। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় ঢাকা যাত্রাবাড়ি এলাকার একটি মাদ্রাসার ১৩ বছরের ছাত্র ইব্রাহিম গোলাগুলিতে নিহত হলে কাঁচপুর এলাকায় ঘটনাস্থল দেখিয়ে গত ২৪ আগস্ট রাতে একটি হত্যা মামলা করেন নিহতের পিতা মো. হানিফ। তবে নিজের দায়ের করা হত্যা মামলার আসামী শিক্ষকসহ অনেককেই চেনে না বাদী নিজে।

সোনারগাঁ থানায় করা মামলায় বাদী উল্লেখ করেন, উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নের নয়াগাঁও গ্রামের মো. হানিফ মিয়ার ছেলে ইব্রাহিম (১৩) ঢাকা যাত্রাবাড়ি এলাকার একটি মাদ্রাসার ছাত্র ছিল। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকে পন্ড করতে ১৯ জুলাই আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীরা আগ্নেয়াস্ত্র পিস্তল, শর্টগান, ককটেল ও ধারালোসহ দেশীয় বিভিন্ন অস্ত্র নিয়ে কাঁচপুরে জনমনে আতঙ্ক তৈরি করে এবং জনতার উদ্দেশ্যে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এলোপাতারি গুলি করে। বিকেলে কাঁচপুর ব্রীজের পূর্ব পাশে ঢাকাগামী রোডে তার ছেলে পৌঁছালে একটি গুলি ছেলের চোখের ভেতর দিয়ে গিয়ে মাথার পেছন দিক দিয়ে বেরিয়ে যায়।

পরবর্তিতে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন এবং

ময়নাতদন্ত শেষে ছেলেকে যাত্রাবাড়ি

মাতুয়াইল কবরস্থানে দাফন করা হয়। এদিকে দীর্ঘ এক মাসেরও বেশি সময় পর সোনারগাঁ থানায় গত ২৪ আগস্ট রাতে একটি হত্যা মামলা করেন নিহতের পিতা মো. হানিফ।

এই মামলায় আসামী করা হয়েছে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রধান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বিভিন্ন মন্ত্রী এমপি ও আওয়ামী নেতা কর্মীদের। তাদের পাশাপাশি এই হত্যা মামলায় আসামী করা হয়েছে ডেমরা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ ও ছাত্রদলের সাবেক নেতা ড.নুরে আলম ও তার বড় ভাই ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলমকে।

হত্যা মামলার আসামী হওয়ার বিষয়ে অধ্যক্ষ ড. নুরে আলম জানান, তিনি বর্তমানে ডেমরা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ। এর আগে সরদার আজমত আলী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এছাড়াও ছাত্র জীবনে তিনি ৮৮-৮৯ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আ. ফ. ম বাহাউদ্দিন হলের ছাত্র সংসদের ক্রীড়া সম্পাদক ছিলেন। ১৯৯৩-৯৪ সালে সোনারগাঁ ছাত্রদলের আহ্বায়ক ছিলেন। ২০২৩ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি অর্জন করেন। একটি কুচক্রি মহল উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের সাথে তার ও তার ভাইসহ অনেকের বিরুদ্ধে মামলা দিতে বাদীকে বাধ্য করেছেন।

হত্যা মামলার বিষয়ে বাদী মো. হানিফ মিয়া জানান (ধারনকৃত),

কলেজের অধ্যক্ষ ও তার ভাইকে আমি চিনি না। তারাও আমাকে চেনে না। তারা আমার শত্রু না আমিও তাদের শত্রু না। আমি কাউরেই চিনি না।ম আপনি সাংবাদিক, আপনে বুঝবেন। বিষয়টা হলো এইটা রাজনৈতিক ব্যাপার। আমি কাউকে মিথ্যা মামলা দিতে চাই না।

একপর্যায়ে তার ছেলের নিহতের ঘটনাস্থল কোথায় সিদ্ধিরগঞ্জ নাকি অন্য কোথাও তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এদিকে ঐ এদিকে। তবে তিনি কাঁচপুরের কথা উল্লেখ করেননি। তাছাড়া বাদীর বাড়ি সোনারগাঁয়ে হলেও ছেলে মারা যাওয়ার পর তাকে মাটি দেয়া হয়েছে যাত্রাবাড়ি মাতুয়াইল কবরস্থানে।

এদিকে স্থানীয় একটি বিস্বস্ত গোপন সূত্র জানায়, বাদী হানিফা মিয়ার ছেলে ইব্রাহিম যাত্রাবাড়ি এলাকায় একটি মাদ্রাসায় থেকে লেখাপড়া করতো। আন্দোলনের সময় মাদ্রাসার হুজুরেরা (শিক্ষক) ছাত্রদেরকে যাত্রাবাড়ি এলাকায় মিছিলে নিয়ে যায়। সেখানে পুলিশ, আওয়ামী লীগ ও সাধারন মানুষের মধ্যে মারামারি ও গোলাগুলির সময় ইব্রাহিম মারা যায়। রহস্যজনক কারণে ছেলের লাশ সোনারগাঁয়ে না এনে ঢাকায় দাফন করেছে তার পরিবার।

সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মহসিন জানান, মামলার এজাহারে বাদি কার নাম অর্ন্তভূক্ত করেছেন সেটা আমাদের বিষয় নয়। তবে তদন্ত করে কারো সম্পৃক্ততা না পেলে তাদের বাদ দেয়া হবে।

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর
© All rights reserved © 2023 Dhaka Post 71
Theme Customized By Shakil IT Park