
মোঃ কাউছার মিয়া।
প্রতিনিধি,মনোহরদী-নরসিংদী।
বিস্তারিত,
ব্রিটিশরা যখন ভারতবর্ষে প্রথম ব্যবসা করতে আসলো তার কিছুদিন পর স্থায়ী জায়গা চাইলো। আওরঙ্গজেব তখন পিটায়-পাটায় ব্রিটিশদের ভারত ছাড়া করলো। তারও বহু বছর পর তারা আবার আসলো দুই জাহাজ ওয়াইন আর ধাতু নিয়ে।ইংরেজরা সুবেদারদের ঢেলে ঢেলে সেই ওয়াইন খাওয়ালো আর জাহাজ দুটো ভেড়ানোর অনুমতি চাইলো।ভারতবর্ষের সুবেদার’রা ইংরেজদের ওয়াইন খেয়ে দুটো জাহাজ ভেড়ানোর অনুমতি দিয়ে দিল। তার কিছুদিন পর জাহাজ রাখার ঘাট চাইলো, তারপর মালামাল রাখার ওয়্যারহাউজ। তারপর একদিন ওয়্যারহাউজে চুরি হলো, তারপর ইংরেজরা তাদের ওয়্যারহাউজে বাউন্ডারি দিলো। ব্যবসা বাড়লো। তারপর ওয়্যারহাউজ চালাতে ব্রিটিশ অফিসার আসলো, তাদের থাকার জন্য বাংলো হলো। বাংলোর নিরাপত্তায় পাহাড়াদার এলো। উঁচু উঁচু প্রাচীর হলো। সৈন্য এলো। দুর্গ হলো। এরপর মোঘলদের পতন হলো ব্রিটিশদের হাতে। এই হল ইংরেজদের ইতিহাসের সারমর্ম।ফলাফল,২০০ বছরের গোলামী ! আর সেই গোলামীর রাস্তাও শুরু হয়েছিলো দুটো জাহাজ ভেড়ানোর ঘাট দিয়েই। হয়ত’বা সেই পথ ধরেই আজ ভারত বাংলাদেশের বুক চিড়ে “রেল” ট্রানজিট নিচ্ছে। তারপর রেলে দামি পন্য বহন করবে, কিছু উচ্ছৃঙ্খল বাঙালি (!) সেই রেলে হামলা করবে।তারপর রেলের নিরাপত্তায় সৈন্য আসবে, সৈন্যদের জন্য ঘাটি হবে। ব্যবসা বাড়বে। দুর্গ হবে।সেই সৈন্যদের হাতে “ফেলানি’র” মত মেয়েরা হারাবে তাদের সম্ভ্রম,হারাবে প্রাণ,সেই সৈন্যদের গুলিতে প্রান হারাবে এ দেশের সাধারণ মানুষ এবং কুষক।তারপর হয়ত’বা তাদের লাশ গুলো পাওয়া যাবে সেই “রেল” লাইনে। তারপর?তারপর?তারপর?! তারপর হয়ত আমরা পাসপোর্ট ছাড়া বোম্বে, গুজরাট, কাশ্মীর ঘুরতে পারবো!