1. admin@dhakapost71.com : admin :
  2. dhakapost71@gmail.com : dhakapost71 :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মাধবপুরে কৃষিজমি থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন, ড্রেজার ও পাইপ বিনষ্ট। ন‌ওগাঁর মান্দায় তিন বিলে মৎস্য আহরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন সাভারে আরাফাত রহমান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়েছে লালমনিরহাটে দৈনিক যুগের আলোর ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত মাধবপুরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান, ড্রেজার ও পাইপ বিনষ্ট। কবিরহাটে ভুইঁয়ার হাট উচ্চ বিদ্যালয়ে নবনির্মিত গেট উদ্বোধন। *সুগন্ধি সর. প্রা. বিদ্যালয়ে ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন* মান্দায় ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র গুলো চার মাস ধরে ঔষধ সংকট বড় ভাই যেখানে শেষ করে গেছেন আমি ঠিক ঐ খান থেকে কাজ শুরু করতে চাই – মোঃ আনোয়ার হোসেন হজে যাওয়ার আগে ১০ বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ।

সুন্দরগঞ্জে মালচিং পদ্ধতিতে সবজি চাষে সফল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাসেল

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ২৯৫ বার পঠিত

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের কিসামত হলদিয়া গ্রামের জগনাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাসেল মিয়া মালচিং পদ্ধতিতে সবজি চাষ করে সফলতার মুখ দেখিয়েছেন। তার মাঠে সবুজ পাতার ফাঁকে মাচায় ঝুলছে লাউ, শসা, বেগুন ও মরিচসহ বিভিন্ন সবজি। মালচিং পদ্ধতিতে হাইব্রিড এসব সবজি চাষে কম খরচে ফলন বেশি পাওয়া যায়। এসব সবজি চাষ করে সফল হয়েছেন উচ্চ শিক্ষিত রাসেল (২৮)। তিনি উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের কিসামত হলদিয়া গ্রামের আনিছুর রহমানের ছেলে। জানা গেছে, রাসেল কৃষি বিভাগের পরামর্শে এই উপজেলায় মালচিং পদ্ধতিতে বিভিন্ন রকমের সবজির চাষ করেন। বাজারে সবজির চাহিদা ও দাম বেশি হওয়ায় তিনি সবজি চাষ করতে আগ্রহী হয়ে পড়েন। তার বাড়ির পাশের মাঠে প্রায় ২ বিঘারও বেশি জমিতে মালচিং পদ্ধিতে করলা, শসা, বেগুন, পটল ও ঝিঙে চাষ করেছেন।
মালচিং পদ্ধতিতে এ চাষে তার খরচ হয়েছে ৫০ হাজার টাকা। এরই মধ্যে সে লাখ টাকার মত সবজি বিক্রি করেছেন। মাঠে এখনো যা সবজি আছে, তাতে আরও ৩ লাখ টাকা বিক্রি হবে বলে আশা করছেন। বর্তমানে তার এখানে ৪ হতে ৫ জন মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। রাসেল মিয়া জানান, সে বগুড়া থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে বেড তৈরি করে রাসায়নিক ও জৈব সার একসঙ্গে প্রয়োগ করে জমি পলিথিনের মালচিং সেড দিয়ে ঢেকে দেন। এতে অতিবৃষ্টিতেও মাটির গুণাগুণ নষ্ট হয় না। এতে উৎপাদন খরচ কম। শসা ও ঝিঙে রোপণের ২৫ দিনের মধ্যে ফুল আসে। ৪৫ দিনের মধ্যে বড় হয়ে যায়। ৭০ দিন পর্যন্ত ভালো ফলন পাওয়া যায়।

সে জানান, বারো মাসই শসা, পটল, ঝিঙের ব্যাপক চাহিদা থাকে। দামও ভালো পাওয়া যায়। চলতি মৌসুমে পাইকারি হিসেবে প্রায় ৪০-৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ওই ব্লকের সংশ্লিষ্ট উপ-সহকারী কৃষি অফিসার সৌরভ জানান, এটি একটি লাভজনক নতুন পদ্ধতি আশা করছি দ্রুত এটি সারা উপজলায় ছড়িয়ে যাবে। আমিও সবসময় রাসেলকে সহযোগিতা করে আসছি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রাশিদুল কবির জানান, এই উপজেলায় মালচিং পদ্ধতিতে সবজি চাষ প্রথম শুরু হয়েছে । আশা করি এতে চাষীর ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটবে। এ পদ্ধতি ব্যবহারে জমিতে সার ও সেচ অন্য পদ্ধতির চেয়ে কম লাগে। রোগবালাইও অনেক কম। আগাছা দমনের জন্য এ পদ্ধতি সবচেয়ে ভালো।

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর
© All rights reserved © 2023 Dhaka Post 71
Theme Customized By Shakil IT Park