
=================================
চন্দন মিত্র দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ
======================
দিনাজপুরে মাত্র ১৪হাজার ৫শ টাকা পাওনাকে কেন্দ্র করে পাওনাদার মোঃ গাফফারের ঘুষিতে প্রান গেল মুন সরকার(৪৫) নামে এক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর।
দিনাজপুর সদরের পৌর এলাকা মুন্সিপাড়ায় সকাল ১২টায় এ ঘটনাটি ঘটে।
নিহত মুন সরকার মৃত রামেন্দ্রনাথ সরকারের মেজো ছেলে এবং স্টেশনারী ব্যবসায়ী।
অপরাধী মোঃ গাফফার (৪৫)দিনাজপুর শহরের খালপাড়া এলাকার মোঃ জব্বারের ছেলে।
দিনাজপুর কোতোয়ালি থানায় নিহত মুন সরকারের বড় ভাই রঞ্জিত সরকারের দায়েরকৃত অভিযোগ সুত্রে জানা যায় নিহত মুন সরকার দিনাজপুর পৌরসভাস্থ উতর মুন্সিপাড়ায় কালি মন্দিরের দোকান ঘড় ভাড়া নিয়ে স্টেশনারী ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল।উক্ত দোকান ঘড়ের অর্ধেক অংশ নিহত মুন সরকার মন্দির কমিটিকে অবগত না করেই ঘাতক মোঃ গাফফারকে ভাড়া দেবার নিমিত্তে ৪০হাজার টাকা গ্রহণ করে।পরে মন্দির কমিটি বিষয়টি অবগত হলে দোকান ঘড় ভাড়া দেয়া যাবে না বলে নিহত মুন সরকারকে জানালে নিহত মুন সরকার গত ২০মে ঘাতক মোঃ গাফফারকে ২৫,৫০০ টাকা ফেরত দেয় এবং বাকী ১৪,৫০০টাকা কয়েকদিনের মধ্যে ফেরত দিবে মর্মে কথা হয় ।এরই সুত্র ধরে ৮জুন দুপুর ১২টায় মোঃ গাফফার সংগীয় কিছু লোকজন সহকারে নিহত মুন সরকারের কাছে গিয়ে পাওনা টাকা চাইলে নিহত মুন সরকার তাকে ৫হাজার টাকা দিয়ে অবশিষ্ট টাকা সন্ধ্যায় দেবার কথা বললেও ঘাতক মোঃ গাফফার কোন কথা না শুনে ঐ মুহূর্তে টাকা দিতে চাপ প্রয়োগ করতে থাকে এবং এক পর্যায় ক্ষিপ্ত হয়ে ঘাতক গাফ্ফরসহ তার সংগীয় লোকজন নিহত মনুকে উপর্যুপরি কিল ঘুষি মারতে থাকে এবং তাকে বাঁচাতে তার স্ত্রী এগিয়ে আসলে তাকেও মারধর করে এবং শ্রীলতা হানি ঘটায়।নিহত মুনের স্তী শোর চিৎকার করলে আশে পাশের লোকজন এগিয়ে আসলে অপরাধীরা স্থান ত্যাগ করে চলে যায় ।গুরতর আহত অবস্থায় মুনকে প্রথমে জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেপার্ড করে।সেখানে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা মনুকে মৃত ঘোষনা করে। এ ঘটনার পরপরেই অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল শেখ জিন্নাহ আল মামুন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং নিহতের পরিবারকে আস্বস্থ করে বলেন অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ঘটনায় নিহত মুন সরকারের স্ত্রী তনুজা পালিত বাদী হয়ে দিনাজপুর কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন । কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফরিদ হোসেন বলেন মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রক্ষিত আছে।