1. admin@dhakapost71.com : admin :
  2. dhakapost71@gmail.com : dhakapost71 :
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নাগেশ্বরীতে ৭ দফা দাবিতে দলিল লেখক সমিতির প্রতিবাদ সভা তারুণ্যকে কাজে লাগিয়ে সাভার উপজেলা থেকে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি দুর করতে চাই – মোঃ তমিজ উদ্দিন মামুদনগর যুব সংঘের পুনরায় সভাপতি হলেন জনাব মোঃ আরিফুল ইসলাম এবং সম্পাদক হলেন জনাব মো: হুমায়ুন কবির। কবিরহাট উপজেলায় অর্থাভাবে কোন কৃতি শিক্ষার্থী হারিয়ে যাবে না দীর্ঘদিন পর নিকলী হাওরের বুকে জমজমাট নৌকা বাইচ ব্রাহ্মণপাড়া ভুল চিকিৎসায় প্রসূতি মৃত্যুর অভিযোগ, সাড়ে ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকায় ‘রফা’ নাগেশ্বরীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে দুই আসামি গ্রেপ্তার, একজনের ১৫ দিনের কারাদণ্ড নিরাপদ স্বাস্থ্য আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হলেন – মাওলানা আব্দুল মোতালেব। মাধবপুরে কৃষিজমি থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন, ড্রেজার ও পাইপ বিনষ্ট। ন‌ওগাঁর মান্দায় তিন বিলে মৎস্য আহরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন

ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ধামরাইয়ের তামা কাসার শিল্প

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৮ মে, ২০২৪
  • ১৮৬ বার পঠিত

খালেদ বীন আঃ আজিজ, ধামরাই,ঢাকা।
প্রায় ২০০ বছরের পুরনো এই শিল্প আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। এক সময় খুব সুনাম ছিল এই ধামরাইয়ের তামা কাসার। কিন্তু তা আজ দিনে দিনে বিলুপ্তির পথে। এই বিষয় নিয়ে খোঁজাখুঁজি করে আমরা দেখতে পেলাম মাত্র দুই একটা কারখানা ছাড়া সবগুলোই বন্ধ হয়ে গেছে। সেই পুরনো কারখানার মালিক নিমাই ঘোষের ছেলে প্রদীপ কুমার ঘুষ বলেন একসময় আমাদের কারখানায় প্রায় ৭০-৮০ জন লোক কাজ করতো কিন্তু নতুন করে কারিগর আর তৈরি হচ্ছে না এবং কাঁচামালও পাওয়া যাচ্ছে না এবং মানুষের তামা কাসার চাহিদা ও কমে গেছে যে কারণে আর আমাদের কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। এদিকে সরকার যদি একটু সুদৃষ্টি দেয় তবে হয়তোবা এগুলো নতুন করে আবার চালু হতে পারে এটা একটা শিল্প এটা ধামরাইয়ের ঐতিহ্য। এখানকার নালকের কারিগর (পুরনো মেরামতকারী) হারাধন বাবু বলেন এটা আমার বাবার পুরনো ব্যবসা এই কাজটা আমার বাবা করত প্রায় ৪০ বছর আমিও এই কাজটা করি ৪৫ বছর, একসময় আমাদের এই কারখানায় চার-পাঁচজন লোক প্রতিদিন কাজ করতাম কিন্তু এখন কাজ না থাকার কারণে মাসে ১০-১২ দিন কাজ থাকে এতে করে আমার সংসার চালানো খুব কষ্ট হয়ে যায়।বর্তমানে এখানকার বড় ব্যবসায়ী সুকান্ত বণিকের সাথে আলাপ করে জানা যায় তামা কাসা এখন আর মানুষ আগের মত খুব একটা ব্যবহার করেনা যে কারণে এটার চাহিদা কমে গেছে, একসময় এখানে প্রায় প্রতিদিনই বিদেশীরা আসত বিভিন্ন ধরনের তামা কাসার জিনিসপত্র ক্রয় করার জন্য কিন্তু এখন আর আসে না।এখানকার আরেকজন বড় ব্যবসায়ী মানসুর রহমানের সাথে আলাপ করে জানা যায় মানুষ একসময় থালা, বাসন, বাটি, বদনা, পানের বাটা, সবকিছুই তামা কাসারই ব্যবহার করত কিন্তু এখন সব প্লাস্টিকের ব্যবহার আসাতে এগুলো আর ব্যবহার করছে না,তাই তামা কাসার ব্যবহার কমে গেছে তাই আজ তামা কাসা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। কিছুদিন পূর্বে এখানে এসেছিলেন ব্রিটিশ হাই কমিশনার সারাহ কুক তিনি বলেছিলেন আলাপ আলোচনার মাধ্যমে এগুলো বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভব। যদি সরকার এই শিল্পের দিকে একটু নজর দেন তবেই এই শিল্পকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর
© All rights reserved © 2023 Dhaka Post 71
Theme Customized By Shakil IT Park