
ফখরুদ্দিন তহসিন
আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি।
বরগুনার আমতলী পৌর শহরে আদালতের রায়ে ৪০ বছর পরে নিজের জমি ফিরে পেলেন ফিরোজা বেগম ও তার পরিবারের সদস্যরা। এতদিন অবৈধভাবে জায়গাটি দখল করে আসছিলেন আফজাল হাওলাদার ও সিরাজ মৃধার পরিবার। আমতলী সহকারী জজ আদালতের বিচারক মোঃ সিহাবুর রহমানের নির্দেশে এ স্থাপনা গুরিয়ে দেয়া হয়।
জানাগেছে, (২২ফেব্রুয়ারী)বৃহস্পতিবার আমতলীর ওয়াবদা সড়কের (মিঠা বাজার) আদালতের নির্দেশে পুলিশের উপস্থিতিতে জায়গা বুঝে নেন প্রকৃত মালিক।আমতলী পৌর শহরের ওয়াবদা সড়কের (মিঠা বাজার) ৭৮৬ ও ১২১৮ নং খতিয়ানের ৯১৪ নং দাগের ৬ শতাংশ জমি আব্দুল আজিজ খানের দখলে ছিল। ওই জমি তিনি আফজাল হাওলাদার ও সিরাজ মৃধার কাছে বিক্রি করে দেন এমন দাবী আফজাল হাওলাদারের ছেলে সাংবাদিক মনিরুল ইসলাম হাওলাদারের। তারা ওই জমিতে ৪০ বছর ধরে বসবাস করে আসছেন।
ওই জমি ফিরোজা বেগম তার দাবী করে আমতলী সহকারী জজ আদালতে ২০১৫ সালে মামলা দায়ের করেন। এ বছর গত ১৫ জানুয়ারী আমতলী সহকারী জজ আদালতের বিচারক সিহাবুর রহমান তার পক্ষে রায় দেন। বৃহস্পতিবার আদালতের নির্দেশে ওই জমিতে বসবাসরত মনিরুল ইসলাম হাওলাদার, রনি হাওলাদার ও সাব্বির হাওলাদার এবং রাসেল মৃধার ঘর গুলো উচ্ছেদ করা হয়। এ সময় ওই এলাকায় শত শত মানুষ ভীর করেন।
মামলার বাদী ফিরোজা বেগম আদালতের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, আদালত আমাকে আমার প্রাপ্য অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছেন। জমিতে বসবাসরত সাংবাদিক মনিরুল ইসলাম হাওলাদার বলেন, আমাকে ঘর উচ্ছেদের কোন নোটিশ দেয়নি। নোটিশ ছাড়াই আমার ঘর-বাড়ী উচ্ছেদ করা হয়েছে। আমাদের প্রতি অন্যায় করা হয়েছে।
বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নাজির ফারুক আহম্মেদ বলেন, জমিতে বসবাসরতদের নোটিশ দেয়া হয়েছে। কিন্তু তারা নোটিশ আমলে নেয়নি। তিনি আরো বলেন, দেওয়ানী ডিক্রীজারি ১৬/২০২২ নং মোকাদ্দমার গত ১৫ জানুয়ারী তারিখের আদেশ মোতাবেক তিনটি ঘর উচ্ছেদ করা হয়েছে।