
ঠাকুরগাঁও জেলা রিপোটার:
লাম্পি ভাইরাস হতে রেহাই পাচ্ছে না সবচেয়ে দুধের বাছুর এবং ক্রস জাতীয় শাহীওয়াল, ফ্রিজিয়ান ইত্যাদি পালিত গবাদি পশু। প্রতিবছর ন্যায় মরণ ব্যাধি লাম্পি ভাইরাস সর্বস্বান্ত করে দিচ্ছে তাদের গচ্ছিত সম্পদ। সরোজমিনে তথ্য নিয়ে জানা যায় লাম্পি ভাইরাস রোগের বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে প্রাণী অফিস হতে তেমন কোন উদ্যোগ নেই বলে খামারী এবং ভুক্তভোগীরা জানান। শাহীন নামে এক ব্যক্তি জানান তিনি ল্যাম্পি ভাইরাস পরিশোধক টিকার কথা, যদি সঠিকভাবে এই ল্যাম্পি ভাইরাস পরিশোধক টিকা যথা সময়ে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হলে, হাজার হাজার খামারী এবং ভুক্তভোগী এই মরণ ব্যাধি লাম্পি হতে রেহাই পাবে। তিনি বলেন আমার নিজের পোষা গবাদি পশুটি লাম্পি ভাইরাস রোগের আক্রমণ হয়ে মৃত্যুবরণ করে যা গরুটি বাজার মূল্য ৪৫ হাজার টাকা। তিনি গভীর ভাবে মর্মাহত ও ভারাক্রান্ত হয়ে বলেন আমাদের মধ্যবিত্ত এবং নিম্নবিত্ত পরিবারদের সম্বল দুটি গরু দুটি ছাগল কয়টি হাঁস মুরগি আমাদের পরিবারের বেঁচে থাকার পুঁজি। হযরত আলী নামে এক খামারী জানান, ল্যাম্পি ভাইরাস রোগ টি আমাদের বেঁচে থাকার স্বপ্ন কে অসহায় করে দিয়েছে। তিনি বলেন আমার দুটি গরু গত বছর ল্যাম্পি ভাইরাস রোগের আক্রমণ হয়ে একটি মারা গেছে যাহা বাজার মূল্য ৯০ হাজার টাকা এবং অপরটি চিকিৎসা করে কোন মতে বেঁচে আছে। একবার ল্যাম্পি ভাইরাস রোগে আক্রমণ হলে পশুটি বাঁচার জন্য কঠিন হয়ে পড়ে।এই বিষয়ে প্রাণীর অফিস হতে তথ্য নিয়ে জানা যায় জনবলের সংকটের অভাবে মাঠ পর্যায়ে ল্যাম্পি ভাইরাস পরিশোধক টিকার কার্যকর ভূমিকা পালন করতে ব্যর্থ হয়েছে বলে তারা জানান। প্রাণী দপ্তর কর্মকর্তা জানান প্রযুক্তির মাধ্যমে এই ভাইরাসের টিকা যথাসময়ে প্রদান করলে ৯৫% ভাইরাস মুক্ত করা সম্ভব। কর্মকর্তা আরো জানান জনসচেতনতা এবং সঠিক সময়ে টিকা প্রদান এই ভাইরাস প্রতিকার করা সম্ভব।