1. admin@dhakapost71.com : admin :
  2. dhakapost71@gmail.com : dhakapost71 :
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নাগেশ্বরীতে ৭ দফা দাবিতে দলিল লেখক সমিতির প্রতিবাদ সভা তারুণ্যকে কাজে লাগিয়ে সাভার উপজেলা থেকে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি দুর করতে চাই – মোঃ তমিজ উদ্দিন মামুদনগর যুব সংঘের পুনরায় সভাপতি হলেন জনাব মোঃ আরিফুল ইসলাম এবং সম্পাদক হলেন জনাব মো: হুমায়ুন কবির। কবিরহাট উপজেলায় অর্থাভাবে কোন কৃতি শিক্ষার্থী হারিয়ে যাবে না দীর্ঘদিন পর নিকলী হাওরের বুকে জমজমাট নৌকা বাইচ ব্রাহ্মণপাড়া ভুল চিকিৎসায় প্রসূতি মৃত্যুর অভিযোগ, সাড়ে ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকায় ‘রফা’ নাগেশ্বরীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে দুই আসামি গ্রেপ্তার, একজনের ১৫ দিনের কারাদণ্ড নিরাপদ স্বাস্থ্য আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হলেন – মাওলানা আব্দুল মোতালেব। মাধবপুরে কৃষিজমি থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন, ড্রেজার ও পাইপ বিনষ্ট। ন‌ওগাঁর মান্দায় তিন বিলে মৎস্য আহরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন

বাঁধের মাটির চরম সংকট স্থায়ী সমাধান জরুরি

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২ মার্চ, ২০২৪
  • ১২০ বার পঠিত

ডেক্স রিপোর্ট :
ফসল রক্ষা বাঁধের কাজে সফলতা অর্জন হলেও বিনষ্ট হচ্ছে গবাদিপশুর (ঘাস) খাদ্য। বছরের পর বছর বাঁধের কাজে মাটি সংগ্রহ করতে গিয়ে হাওরে বাপ দাদার আমলের কান্দা গোপাট (পতিত ভূমি) গুলো বিনষ্ট করা হচ্ছে সুনামগঞ্জের হাওড় বেষ্টিত উপজেলা শাল্লায়।
। অন্যদিকে বর্ষার পানিতে এসব মাটি পলি হয়ে ভরাট হচ্ছে নদী নালা খাল বিল। এমন ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে আগামী ২/৩ বছর পর বাঁধের জন্য মাটিই মিলবেনা।
বাঁধের কাজ সঠিক হওয়ায় যেমন কৃষকের কষ্টে অর্জিত একমাত্র বোরো ফসল সুন্দর ভাবে গোলায় উঠে, তেমনি গুখাদ্যের তীব্র সংকট ও বৈশাখে ধান রাখার জায়গা সমাধানের চিন্তা এখন থেকে গভীর ভাবে মাথায় রাখতে হবে সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের। সাধারণ মানুষজন মনে করেন এসব বিষয়ের স্থায়ী সমাধান জরুরি। আর এর জন্য নদী খনন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
উপজেলার ছায়ার হাওর পাড়ের উজানগাঁও গ্রামের কৃষক চন্দন কুমার দে বলেন, বাঁধ তৈরি আগামী দিনগুলোতে কি করে যে হবে মাঝে মাঝে চিন্তা করি। তিনি বলেন কয়েক বছরের বাঁধ তৈরিতে হাওরের সকল কান্দা গোপাট মাটি কেটে নিয়ে শেষ। আগামীতে মাটির খুব সংকট দেখা দিবে। ফসল রাক্ষার উপকার করতে গিয়ে গুরুর খাওন (খাদ্য) বিনাশ। খাদ্যের অভাবে গরু রোগা হয়ে মরে যাচ্ছ। এর স্থায়ী সমাধান করা জরুরি বলে দাবি করেন তিনি।

ভান্ডাবিল হাওর পাড়ের ফয়জুল্লাহপুর গ্রামের কৃষক সাবেক মেম্বার ফারুক মিয়া বলেন, এবারই ২/৩ কিলোমিটার দুর থেকে বাঁধের মাটি আনতাছে। কেউ কেউ মাটি কিইন্যা আনছে। আগামীতে মাটির খুর অভাব হবে কি করে যে বান (বাঁধ) দিবে বলা মসকিল।
এর স্থায়ী সমাধান কি করে সম্ভব জানতে চাইলে তিনি জানান,নদী খনন করলে সব সমস্যা সমাধান সম্ভব। নদী যেমন গভীর হবে আবার বান (হাওর রক্ষা বাঁধ) ও হবে।
তাঁর কথার সঙ্গে সহমত পোষণ করেন ছায়ার হাওর পাড়ের শহদেবপাশা গ্রামের কৃষক মো: আবু ছালেহ ।
কথা হয় মামুদনগর গ্রামের বড় কৃষক হাবিবুর রহমান হবিব মিয়ার সঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের কথা কে শুনে, যে যার মতো করে দেশের উন্নয়ন কাজ করছেন। আমাদের হাওরাঞ্চলের যে অবস্থা সব বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার। ফসল রক্ষা যেমন গুরুত্বপূর্ণ তেমনি নদী খনন ও খুবই প্রয়োজন। অন্যতায় সামনের দিনগুলোতে বাঁধ তৈরি কঠিন হবে মাটির সংকটের জন্য। হাওর পাড়ের বাঁধ তৈরিতে বছর বছর অর্থ বরাদ্দের পরিবর্তে দু’বছরের বরাদ্দ এক সঙ্গে করে বাঁধের দুপাশে আর সিসি ৩ থেকে ৪ ফুট উচু দেয়াল তৈরি করে এবং ক্লোজার গুলোতে কজয়ে তৈরি করা হলে প্রতি বছর আর বাঁধ দিতে হবেনা। পাশাপাশি কোটি কোটি টাকা প্রতি বছর বরাদ্দ ও লাগবে না। একদিকে যেমন টাকা অপচয় রোধ হবে অন্য দিকে খাল বিল ও পলি পরে পরে ভরাট হবে না।

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর
© All rights reserved © 2023 Dhaka Post 71
Theme Customized By Shakil IT Park