
শুভ্র মজুমদার, স্টাফ রিপোর্টার:
টাঙ্গাইলের কালিহাতীর এলেঙ্গায় পমিজাম মেটাল কারখানায় একদল লোক াপ্রবেশ করে সাত দিনের মধ্যে কারখানার কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বন্ধ না করলে কারখানায় আগুন দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয় বলে দাবি করেছে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ। এতে শ্রমিক-কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।
কারখানা কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি কামাল হোসেনের দাবি, এর আগে স্থানীয় একটি দুর্বৃত্ত চক্র তাদের কাছে চাঁদা দাবি করেছিল। চাঁদা না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে চক্রটি স্থানীয় কয়েকজনকে ভুল বুঝিয়ে গত ২৩ আগস্ট দুপুর ২টার দিকে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল কারখানায় প্রবেশ করে।
অভিযোগ অনুযায়ী, কারখানায় ঢুকে তারা শ্রমিকদের ভয়ভীতি দেখায় এবং সাত দিনের মধ্যে প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার সময়সীমা দেয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কারখানা বন্ধ না করলে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়।
কারখানার কর্মী জাহাঙ্গীর আলম জানান, ঘটনার সময় তিনি একটি কক্ষে ছিলেন। বাইরে থেকে দরজায় জোরে ধাক্কার শব্দ শুনে জানালা দিয়ে তাকালে কয়েকজন তাকে গেট খুলে দিতে বলেন। পরে গেট খুলে দিলে তারা কারখানা বন্ধের কথা জানিয়ে সাত দিনের সময় দেন।
জাহাঙ্গীরের ভাষ্য, তাকে ও অন্য শ্রমিকদেরও ভয়ভীতি দেখানো হয়। কারখানার বাইরে গেলে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। ঘটনার পর বিষয়টি মালিকপক্ষকে জানানো হয়। ওই সময় কোনো আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে জানান তিনি।
পরে সন্ধ্যায় পুলিশ এসে আমার কাছে ঘটনা সম্পর্কে জানতে চায়। আমি কারখানা সম্পর্কে সত্য যেটা সেটাই বলি। তবে আমি কাউকে চিনতে পারিনি।
এদিকে ঘটনার দিন সন্ধ্যায় কারখানার বিষয়ে নিজেদের অবস্থান জানাতে স্থানীয় কয়েকজন কালিহাতী থানার প্রধান ফটকের সামনে জড়ো হন বলে জানা গেছে। তবে সেখানে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
কারখানা কর্তৃপক্ষের দাবি, পমিজাম মেটাল প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন ও পরিবেশগত ছাড়পত্রসহ নিয়ম মেনেই পরিচালিত হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রয়েছে এবং নিয়মিত সরকারি রাজস্ব পরিশোধ করা হয় বলেও তারা জানিয়েছে।
কারখানা কর্তৃপক্ষ বলছে, অগ্নিসংযোগের হুমকি বাস্তবায়িত হলে শ্রমিকদের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের সম্পদেরও বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। তাই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত কারণ উদঘাটন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে তারা।
এ বিষয়ে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাইয়ুম খান সিদ্দিকী বলেন, এ বিষয়ে আমার কাছে লিখিত কোনো অভিযোগ