
নুর আলাম বিপ্লব নোয়াখালী –
নোয়াখালী কবিরহাট উপজেলার কবিরহাট বাজারে অবস্থিত বাইতুল আমান জামে মসজিদের ইমাম ইমরান হোসেন রিশাদ প্রায় ১ কোটি টাকার উপর নিয়ে উধাও হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠে আসছে।
এতে স্থানীয় সূত্রে জানা যায় হক মার্কেটের
সীমু গার্মেন্টস এর মালিক ইমরান হোসেন রিসাদ তার বাড়ি নরোত্তনপুর ইউনিয়নে ৪নং ওয়ার্ড় আমির বক্সা ব্যাপারী বাড়ির আজিজুল হকের ছেলে , তিনি দীর্ঘদিন ধরে কবিরহাট বাইতুল আমান জামে মসজিদে ইমামতি করেন এবং পাশাপাশি হক মার্কেটে সীমু গার্মেন্টসের মালিক তিনি
ইমরান হোসেন রিসাদ ব্যবসার খাতিরে বিভিন্ন এনজিও মানুষের কাছে থেকে ধার ও সুদের উপর প্রায় ১ কোটি টাকা নেন তিনি। এ টাকা পরিশোধ করতে না পেরে হঠাৎ উধাও হয়ে যায়।
এতে সাজেদা ফাউন্ডেশন থেকে ৫ লাখ টাকা, ডিএমসি থেকে ৮ লাখ টাকা, প্রগতি থেকে ৫ লক্ষ টাকা, ফারুক থেকে ৫ লক্ষ টাকা, জাহাঙ্গীর থেকে ৬ লক্ষ টাকা, গিয়াস উদ্দিন থেকে সাড়ে ৬ লক্ষ টাকা, রোকিয়া বেগম থেকে ৫ লক্ষ টাকা, ইকবাল থেকে ২ লক্ষ টাকা , কাদের থেকে ২ লাখ টাকা , প্রায় ১৬ টি এনজিও ও মানুষ থেকে অনুমানিক ১ কোটি টাকার মতোই নেন তিনি,
এই বিষয়ে একাধিক ভুক্তভোগী বলেন ইমরান একজন ইমাম ( হুজুর) মানুষ, তাকে আমরা বিশ্বাস করে টাকা দিয়েছি সে যে টাকা নিয়ে চলে যাবে আমরা তা ভাবতেও পারেনি , ভুক্তভোগীরা আরো বলেন
ইমরান পালিয়ে যাওয়ার পর টাকার জন্য আমরা ইমরানের বাবার কাছে গেলে তিনি টাকা দিতে অস্বীকার করেন ।
এই বিষয় ইমরানের মা বলেন আমরা ছেলে ব্যবসায় লস খেয়ে তাছাড়া সুদের উপর যেসব টাকা নিয়েছে তাদের টাকা না দিতে পেরে লজ্জায় নিখোঁজ হয়েছে। কোথায় আছে কেমন আছে বেঁচে আছে নাকি মরে গেছে তাও আমরা জানি না বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে ইমরানের বাবা আজিজুল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার ছেলে ব্যবসায় বড় ধরনের লস খেয়েছে, মানুষের কাছ থেকে যে এত টাকা নিয়েছে আমি তা জানি না এতদিন জানতাম চার পাঁচটা এনজিও থেকে লোন নিয়েছে সে, এখন দেখতেছি প্রায় ১০থেকে ১২টি এনজিও থেকে লোন নিয়েছে, তাছাড়া এত মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে কিভাবে তাও আমি জানি না। টাকার জন্য সবাই আমাকে চাপ সৃষ্টি করতেছে আমি এখন নিরুপায়।
এই বিষয় জানতে ইমরান হোসেনের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায় ।