
মোঃ কাউছার মিয়া।
প্রতিনিধি,মনোহরদী-নরসিংদী
বিস্তারিত,
মনোহরদী উপজেলার গোতাশিয়া ইউনিয়ন এর চুলা ও তার আশে পাশের গ্রামের ত্রাসের আর এক নাম কাজী মেজবাহ উদ্দিন ওরুফে রহমত!কাজী মেজবাহ উদ্দিন ওরুফে রহমত চুলা গ্রামের মৃত কাজী মহি উদ্দিন/রুহুল আমিন ওরুফে বকুন এর বড় ছেলে।কাজী মেজবাহ উদ্দিন ওরুফে রহমত তার মামা কাজী আজিজুল হক ওরুফে কাজল মেম্বার গং এর সাথে মিলে দীর্ঘদিন ধরে চুলা তার আশে-পাশের এলাকায় অবৈধ ভাবে ভূমি দখল,মাদক ও জুয়ায় সংশ্লিষ্টতা,কিশোর-গ্যাং এর অর্থায়ন ও মদদ দেওয়া,এক জমি বহু-বিক্রির মাধ্যমে মানুষকে হয়রানি ও মিথ্যা মামলার মাধ্যমে মানুষকে হয়রানি করা সহ নানান অপকর্মের মাধ্যমে গোতাশিয়া ইউনিয়ন ও চুলা গ্রাম তথা মনোহরদী উপজেলায় অরাজকতা ও ত্রাস সৃষ্টির মাধ্যমে সামাজিক শান্তি-শৃংখলা নষ্ট করা সহ মানুষকে অর্থনৈতিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করে যাচ্ছে।কাজী মেজবাহ’র এসব কর্মকান্ডে বহু মানুষ তাদের জমি হারিয়ে হয়েছে ভূমিহীন।হয়েছে অর্তনৈতিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ।তার এসব কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে কাজী মেজবাহ তার মামা কাজী আজিজুল হক ওরুফে কাজল মেম্বার গং কে স্বাক্ষী বানিয়ে মিথ্যা মামলা ও নানান হুমকি ধমকি’র মাধ্যমে মানুষকে হয়রানি করে থাকে।কাজী মেজবাহ’র এসব অপকর্মের স্বীকার হওয়া একজন ভুক্তভোগী মোঃ তানভীর ভূইয়া জানান,কাজী মেজবাহ’র বাবা মোঃ রুহুল আমিন এর কাছ থেকে আমার বাবা প্রায় চল্লিশ বছর আগে কিছু জমি কিনেছিলেন।আমার বাবার কেনা জমিগুলোতে আমার তাঁর জীবদ্দশায় তিঁনি ভোগ দখলে ছিলেন এবং আমার বাবার মৃত্যুর পর আমারা সেই জমি গুলো পৈত্রিক ওয়ারিশ সূত্রে ভোগদখলে আছি।কিন্তুু আমার বাবার মৃত্যুর পরবর্তী সময়ে কাজী মেজবাহ উরুফে রহমত তার মামাদের ও কিছু সন্ত্রাসীদেরকে সাথে নিয়ে আমার সত্ব-দখলীয় জমিতে অবৈধ ভাবে দখল করার করার চেষ্টা করে।আমি স্থানীয় ভাবে সেটা সমাধানের উদ্দেশ্যে আমাদের গোতাশিয়া ইউনিয়ন পরিষদ এর প্রয়াত চেয়ারম্যান জনাব আব্দুল কাদির সাহেব এর কার্যালয়ে অভিযোগ করলে প্রয়াত চেয়ারম্যান জনাব আব্দুল কাদির সাহেব সমাজের গন্য-মান্য ব্যক্তিদের নিয়ে গ্রাম্য শালিসে আমাদের দুই পক্ষের কাগজ-পত্র পর্যালোচনা করেন এবং আমাদের কাগজ-পত্র ও মালিকানা সঠিক আছে এই মর্মে রায় দেন।পরবর্তীতে সেই রায় কে উপেক্ষা করে কাজী মেজবাহ উরুফে রহমত তার মামাদের সাথে যোগ-সাজশের মাধ্যমে আমার সত্ব-দখলীয় জমী তার ছোট মামা কাজী মহব্বত এর নিকট বিক্রি করে।তারপর কাজী মেজবাহ ও কাজী মহব্বত আমার সত্ব-দখলীয় জমিতে অবৈধ ভাবে দখল করার জন্য নানান ভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।স্থানীয় কিশোর-গ্যাং,সন্ত্রাসী বাহিনী ও বিভিন্ন প্রভাবশালী মহল থেকে নানান হুমকি ধমকি-ধমকি সহ ভূয়া মামলা দিয়ে আমাকে এবং আমার পরিবার কে হয়রানি করে যাচ্ছে।এতে করে আমি অর্থনৈতিক দিক সহ নানান দিক থেকে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি।কাজী মেজবাহ’র এসব কর্মকান্ডের বিষয়ে আমি ও আমার পরিবার প্রশাসন এর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।কাজী মেজবাহ ও তার মামাদের দারা ক্ষতিগ্রস্থ আর এক ভুক্তভোগী মোঃ সজিব ভূইয়া জানান ১৯৭৮ সালে ৭২০৪ নাম্বার দলিল মূলে মোসাঃ আকিকুন্নেছার কাছ থেকে আমার পূর্ব-পুরুষরা কিছু জমি কিনেছিলেন।সেই জমি গুলো আমরা নির্বিগ্নে ভোগদখলে ছিলাম।ভোগদখল থাকা অবস্থায় আমাদের ৭২০৪ নাম্বার দলিলের তির নাম্বার গ্রহীতা মোঃ বাবুল মিয়া বর্তমান রেকর্ড(আর.এস) অনুযায়ী ১৭৭৫ নাম্বার দাগের তার প্রাপ্য অংশ(৪.৮ শতাংশ) কাজী ১৯৯০ সালে ১০২৩ নাম্বার বিনিময় দলিলের মাধ্যমে মেজবাহ’র কাছে বিক্রি করেন।আমাদের দলিলের তিন নাম্বার গ্রহিতার অংশ(৪.৮ শতাংশ)কেনার পরও আমারা আমাদের জমিতে নির্বিগ্নে দখল ছিলাম কিন্তুু পরবর্তীতে ২০২০-২০২১ সাল কাজী মেজবাহ উদ্দিন উরুফে রহমত আমাদের অংশে তার মামাদের সাথে যোগ-সাজশের মাধ্যমে জোড়-পূর্বক দখল করে একটি ঘর নির্মান করে।সেই সময় করোনা মহামারি,প্রভাবশালীদের ছত্রছায়া,কিশোর-গ্যাং,মাদক সেবী ও তাদের পালিত সন্ত্রাসদের কারণে আমরা তাদের এসব কর্মকান্ডে বাধা দিতে পারি নি।তার এই অবৈধ ভূমি দখলে বাধা দেওয়ায় ও আমার দখলীয় সম্পত্তি ফেরৎ চাওয়ায় কাজী মেজবাহ উদ্দিন ওরুফে রহমত বাদী হয়ে তার মামাদের কে সাক্ষী করে আমাদের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন।মামলা নাম্বার ৩৩৬/২০২৩।মামলাটির প্রেক্ষিতে বিজ্ঞ আদালত মাননীয় ভূমি সহকারীর মাধ্যমে গত ২১-০১-২০২৪ তারিখে একটি তদন্ত প্রেরণ করেন।সেই তদন্ত প্রতিবেদনে ও প্রমান হয় হাল দাগ ১৭৭৫ নাম্বার দাগে আমাদের দলিলের তিন নাম্বার গ্রহীতা মোঃ বাবুল মিয়ার অংশ(৪.৮ শাতাংশ) বিক্রি হওয়ার পর ও আমাদের পক্ষ আরও ৮.১৬ শতাংশ জমি প্রাপ্য।যেই দিন যেই ঘঠনা উল্লেখ করে মামলা দায়ের করা হয়েছে সেই দিন এমন কোন ঘঠনা ঘটে নি।এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে প্রমান হয় তাদের দায়ের করা মামলাটি মিথ্যা ও আমাদের দাবী সঠিক।উল্লেখ্য,এই জমি গুলো নিয়ে ১৯৭৯ সালে বিজ্ঞ নারায়ণগঞ্জ মুনসেফী আদালতে একটি দেওয়ানি মামলা হয়।মামলা নাম্বার ১৮৫/১৯৭৯।সেই মামলাটি ও আমাদের পক্ষে রায় হয় এবং ২০২৩ সালে গোতাশিয়া ইউনিয়ন পরিষদ এর গ্রাম আদালতে এ বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করা হলে গ্রাম আদালতে ও প্রমান হয় আমার দাবি সঠিক।সঠিক কাগজ-পত্র,১৯৭৯ সালের মামলার রায়,২০২৩ সালের গ্রাম আদালতের রায় ও তাদের করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন থাকার পর ও সকল কিছু উপেক্ষা আমাদের জমিতে কাজী মেজবাহ’র দখল করে ঘর নির্মান ও মিথ্যা মামলার বিষয়ে প্রতিবাদ করলে কাজী মেজবাহ ও তার মামাদের পালিত কিশোর-গ্যাং,মাদকসেবী ও সন্ত্রাসদের দ্বারা বর্তমানে আমরা নানান ভাবে হুমকি-ধমকি’র সম্মুখীন।কাজী মেজবাহ’র কারণে অর্থনৈতিক ভাবে আমি প্রায় ১০,০০,০০০/-(দশ লক্ষ)টাকার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি।এসব বিষয়ে আমি প্রশাসন এর সু-দৃষ্টি,সহযোগিতা ও হস্তক্ষেপ কামনা করছি।কাজী মেজবাহ উদ্দিন ও তার মামাদের এসব কার্যক্রমের বিষয়ে স্থানীয়রা জানান,মামু-ভাগিনার এসব কার্যক্রমে আমরা ত্যাক্ত-বিরক্ত।পূর্ব হতেই তাদের পরিবার সমাজের মানুষকে নানা ভাবে হয়রানি করে যাচ্ছে।স্বাধীনতার পূর্ব হতে আজ পর্যন্ত বহু মানুষ তাদের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।প্রশাসন এর সুদৃষ্টি ও হস্তক্ষেপ এর মাধ্যমে তাদের এ-সমস্ত অপকর্ম বন্ধ হোক এটাই কামনা করছি।