
রুহুল আমীন খান উজ্জ্বল, মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি।
হবিগঞ্জ মাধবপুর উপজেলা সদর হাসপাতালের অভিযোগের শেষ নেই।টিকেট কাউন্টারে ৩টা লেখা থাকলেও তারা সবার কাছে থেকে ৫টাকা করে নিচ্ছে আবার ভাংতি নাই বলে অনেকের কাছ থেকে ১০টাকাও নিতে দেখা যায়।
জরুরি বিভাগে ও চলছে রমরমা ব্যবসা এক রোগীর হাঁটু ড্রেসিং করে টাকা দাবি ৫০ টাকা দিলে ডায়লগ দিয়ে বলে মিয়া এত সুন্দর করে ড্রেসিং করে দিলাম, আর তুমি ৫০ টাকা দিলা তারপর ১০০ টাকা দিয়ে থাকে খুশি করতে হয়েছে। এমন অসংখ্য কাহিনী প্রতিদিন হচ্ছে।
নিম্ন মানের খাবার দেওয়া হয়,রোগীরা খুবই অসন্তুষ্ট। প্রত্যেক রোগীকে একজন একজন করে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে, আপনারা খাবার কেন নেন না হাসপাতালের, তাদের সবার কথা একটাই লম্বা জুল দিয়ে তরকারি নিয়ে আসে সিলভার মাছের। বাধ্য হয়ে রোগীরা সবাই খাবার নিয়ে আসে যার যার বাড়ি থেকে, ভুক্তভোগীদের দাবি হচ্ছে, কনটাক দার পাল্টান অথবা স্বাস্থ্যসম্মত খাবার দেন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান।
টিকেট দিয়ে ডাক্তার দেখানোর পর যে ঔষধ লেখা হয় তা কোন সময় সব গুলো ঔষধ পাওয়া যায় না । তবে মাঝে মধ্যে এমন ঘটনাও আমরা জানতে পারলাম, কারো ফোনে বা সরাসরি সুপারিশে ঔষধ নাই বলা ঔষধ গুলো ও পাওয়া যায়।
সরকারি এম্বুলেন্সের পাশে কয়েকটি প্রাইভেট এম্বুলেন্স ও লম্বা লাইন দিয়ে রাখা হয়।
এই বিষয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ইশতিয়াক মামুনের সাথে কথা বললে উনি টিকেটের টাকা বিষয়ে কিছু জানেন না বলে দাবি করেন।