
বেনাপোল থেকে এনামুলহকঃ
বেনাপোল স্থলবন্দর বেনাপোল চেকপোষ্ট এখন দালাল মুক্ত।সরকারী রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। যার ফলে এ পথে দিনদিন যাত্রীর সংখ্যা বহুগুনে বেড়েছে।কাষ্টমস সুপার মাহমুদুল হাসান সৌরভ ও কামাল পাশা যোগদানের সাথে সাথেই কাস্টমসের সুন্দর স্বচ্ছপরিবেশ ফিরে এসেছে ও রাজস্ব আয়ও উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়েছে।।তার নির্দেশনায় কাষ্টমস ইন্সপেক্টর, আরিফুর রহমান,সোহেল পারভেজ, মোরশেদা খাতুন ,সহ অন্যান্য কাষ্টমস সদস্যগন কঠোর পরিশ্রমে যাত্রী সেবাদানে কাজ করে যাচ্ছেন। পাসপোর্ট যাত্রীরা যাতে দূর্ভোগে না পড়েন তার জন্য ল্যাগেজ বহির্ভুত পন্যের শুল্কআদায় কাজে নিরুপন ও নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন কাষ্টমস কর্তাগন। ১৬/১৭ আগস্ট সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় লাগেজ বহির্ভূত ৭০জন পাসপোর্ট যাত্রীদের কাছ থেকে প্রায় ৬ লক্ষ টাকার মালামাল আটক করেন।এসব আটককৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে শাড়ি থ্রি পিস কসমেটিক্স চকলেট কম্বল ইত্যাদি। পাসপোর্ট যাত্রীরা যাতে নিয়ম শৃংখলা ও সারীবদ্ধ ভাবে যেতে পারে তার জন্য নিয়োজিত রয়েছে কাষ্টমস সিপাহীজাহাঙ্গীর,আলমসুমন,-১জাহাঙ্গীরআলম-২ রায়হান,নাবিলা ও আনসার সদস্যরা।
তারা সকাল থেকে সন্ধা অবধি কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন বলে সরেজমিনে লক্ষ্য করা গেছে। এদিকে কাষ্টমস অভ্যন্তরে পরিবেশ সুন্দর স্বচ্ছ থাকায় যাত্রীরা তাদের ব্যবহার যোগ্য পন্যসামগ্রী নি: সন্দেহ ভারত থেকে আনতে পারছে।ফলে প্রত্যেকদিন যাত্রীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।প্রত্যেকদিন শত শত পাসপোর্ট যাত্রী ভারতে এ পথে গমন করছে। ভ্রমনকর ও শুল্ক আদায়ের কারনে প্রত্যেক দিন এ পথেই সরকারী রাজস্ব আয় হচ্ছে লক্ষ টাকা। এ বিষয়ে বেনাপোল চেকপোস্ট এর কাষ্টমস সুপার কামল পাশা ও মাহমুদুল হাসান বলেন,আমাদের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় কাষ্টমসের পরিবেশ ফিরে আনতে পেরেছি বলে সরকারী রাজস্ব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং যাত্রীরা যাতে কোন রকম হয়রানীর শিকার না হয় তার জন্য সব বিষয়ে আমরা দিক নির্দেশনা প্রদান করেছি।আর বহিরাগতদের ঠেকাতে সার্বক্ষনিক দায়িত্ব পালন করেছি। তবে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনাতে স্থানীয় সচেতন মহল ও আপনাদের সহযোগিতা ছিল বলে মনে করি। চেকপোষ্ট কাষ্টমস সুপারদ্বয় আরো বলেন,আমরা যুগ্মকমিশনার স্যারের নির্দেশনা পালন করতে বদ্ধপরিকর।যাতে আরো উত্তোরোত্তর পাসপোর্ট যাত্রী সংখ্যা বৃদ্ধি পায় তার সব ব্যবস্থাই আমরা করবো।