
(” নুর আলাম বিপ্লব”) নোয়াখালী —
কবিরহাট উপজেলায় বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে। বাড়তেছে পানি বাহিত বিভিন্ন রোগ ও ডায়রিয়া রোগী, উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ৭ টি ইউনিয়নে ৮০ টি আশ্রয় কেন্দ্রে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,পানি কমার সাথে সাথে জীবিকার তাগিদে ১৪ হাজার মানুষের মাঝে ৬ হাজার মানুষ বাড়ি ফিরে গেছে। উপজেলা ৫০ শয্যাবিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায় , গত ২৪ ঘন্টায় বন্যার্ত এলাকা হতে ২০০ জন রোগী ভর্তি হয়েছে, তার মাঝে ৫১ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এস.কে দেবনাথ বলেন, আমাদের অস্থায়ী ৮ টি স্বাস্থ্য ক্যাম্পে ডাক্তাররা সার্বক্ষণিক কাজ করতেছে। সাধারণ রোগীদেরকে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। উপজেলা পানিবন্দি মানুষের মাঝে সরকারি ও বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে নিয়মিত ত্রাণ বিতরণ করা হচ্ছে। কবিরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সরওয়ার উদ্দিন জানান, সরকারের পক্ষ থেকে ২০১ টন চাউল বরাদ্দ এসেছে। তার মাঝে গত ৯ দিনে ১৫১ টন চাউল বিতরণ করা হয়েছে। ত্রাণ ক্রয়ের জন্য ৬ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা নগদ এসেছে। তার মাঝে ৫ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার ত্রাণ ও ঔষুধ ক্রয় করে বিতরণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কবিরহাট উপজেলার আহ্বায়ক কামরুল হুদা চৌধুরী লিটন ও সদস্যসচিব বেলায়েত হোসেন খোকন জানান কেন্দ্রীয় বিএনপির ও অঙ্গসংগঠনের পক্ষ থেকে গত ৯ দিনে ৫৫ লক্ষ টাকার ত্রাণ বিতরণ করা হয়। কবিরাট উপজেলা বাংলাদেশ জামাতে ইসলামীর আমির ফখরুল ইসলাম মিলন জানান বাংলাদেশ জামাতে ইসলামীর পক্ষ থেকে বন্যার্ত সর্বস্তরের মানুষের মাঝে ৫০ লক্ষ টাকার ত্রাণ বিতরণ করেছেন। এছাড়া বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনে ও ব্যক্তির পক্ষ থেকে বন্যার্ত মানুষের মাঝে এাণ বিতরণ অব্যহত আছে।