1. admin@dhakapost71.com : admin :
  2. dhakapost71@gmail.com : dhakapost71 :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:০৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কবিরহাটে ছোট ভাইয়ের জায়গা দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন টাঙ্গাইলে শিশু ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার ইউএনও গোলাম রব্বানী সরকারকে নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে একটি মহল, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি। মাধবপুর পৌরসভার উন্নয়ন তহবিল থেকে ১ নম্বর ওয়ার্ডের বটগাছা মোড়া কবরস্থানে বরাদ্দ, এলাকাবাসীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ। পোরশায় জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা সরকারি হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা দূর করতে প্রয়োজন পরিকল্পিত কর্মসূচি – সাভারে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বরগুনা আলিয়া মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর রশিদ ভূঁইয়ার মৃত্যুতে ওলামা দল নেতা আব্দুল মোতালেবের শোক। প্রতারক চক্রের ফোন নম্বর শনাক্ত, আর্থিক লেনদেন না করতে জনসাধারণকে সতর্ক করলেন বেনাপোল পোটথানার ওসি শহীদ তিতুমীর।। পোরশায় স্থানীয়দের সহায়তায় ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, ৩২ পিস ট্যাপেন্টাডল জব্দ নারীর স্বাস্থ্যসুরক্ষা ও স্বাবলম্বিতা একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত রাষ্ট্র গঠনের অন্যতম ভিত্তি: চীফ হুইপ নুরুল ইসলাম মণি।

ফেনী টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের প্রিন্সিপালের অনিয়মের অভিযোগ

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২১ আগস্ট, ২০২৩
  • ৪২৭ বার পঠিত

ডেক্স রিপোর্ট
ফেনী সরকারী টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের প্রিন্সিপাল কাজী মেজবাহুল ইসলামের বিরুদ্ধে এবার মাঠে নেমেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। সোমবার বেলা ১১ টা থেকে তারা কলেজ ড্রেস এবং আইডি কার্ড পরিধান করে প্রথমে সালাউদ্দিন মোড়ের সড়ক অবরোধ করে। মিছিল ও স্লোগান দিতে দিতে একপর্যায়ে তারা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় গিয়ে জেলা প্রশাসক মোসাম্মত শাহিনা আক্তার বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করে। এছাড়াও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর মহাপরিচালক বরাবর দুইটি অভিযোগ প্রদান করে।একটিতে শিক্ষার্থীরা অন্যটিতে অভিভাবকরা এই অভিযোগ জানান।অভিযোগে তারা উল্লেখ করেন একাদশ শ্রেণী বর্ষমধ্য পরীক্ষা এবং দ্বাদশ শ্রেণীর ভর্তির সময় ব্যাচ, আইডি কার্ড ইত্যাদির কথা বলে তাদের কাছ থেকে ৫১০ টাকা অতিরিক্ত আদায় করে। এ ব্যাপারে তারা প্রতিরোধ করলে পরবর্তী তাদেরকে ৩০০ টাকা ফেরত দেয়ার করা বলে রশিদ কেড়ে নেয়। কিন্তু পরবর্তীতে টাকা ফেরত দেয়া হয়নি। ছাত্রদের কাছ থেকে নেওয়া প্রতিটি অতিথি শিক্ষকের টাকায় প্রিন্সিপাল তার ব্যক্তিগত ড্রাইভার বেতন বাবদ দেখে ১৫ হাজার টাকা আদায় করেন। এছাড়া প্রতিষ্ঠানে মহিলা সুইপারের নাম দেখিয়ে নিজের কাজের বুয়ার বেতন দেন।এছাড়াও অতিথি শিক্ষকদের ৬০০০ টাকা বেতন দেয়ার কথা থাকলেও তিনি সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তাদেরকে খাটিয়ে মাত্র তার থেকে ৪/৫ হাজার টাকা বেতন প্রদান করেন এবং কি সে ক্ষেত্রেও বিভিন্ন টালবাহানা করেন।তার ব্যক্তিগত গাড়ির ড্রাইভার এর চারিত্রিক সমস্যা রয়েছে। তিনি ছাত্রীদের উত্যক্ত করেন। এসব বিষয়ে তাকে জানানো হলে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়ে তিনি কোন ধরনের ব্যবস্থা নেয়নি। ২০২২ সালে ষষ্ঠ সপ্তম অষ্টম শ্রেণীর সমাপনী পরীক্ষা নামে ১২৫০/- টাকা আদায় করেন যা সরকারি কোন বিধিতে উল্লেখ নেই। এছাড়াও তিনি শিক্ষার্থীদের প্রশংসাপত্রের নামে করে এইচ এস সি ও এসএসসির পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রশংসা পত্রের নামে ৩০০ টাকা করে আদায় করেন। যে কোন প্রয়োজনে প্রত্যয়ন পত্রের জন্য ৪০০ টাকা করে বাধ্যতামূলকভাবে তিনি আদায় করেন । স্কুলে খেলাধুলার কোন আয়োজন না থাকলেও তিনি ১০০ টাকা করে খেলাধুলা বাবদ আদায় করেন। ছাত্রদের ব্যাচ, আইডি কার্ড, নেম প্লেট ইত্যাদি বাবদ প্রতি বছর ২০০/৩০০ টাকা করে নেন। এছাড়াও তিনি তার নির্ধারিত দোকান থেকে ড্রেস সেলায়ের আদেশ দিয়ে থাকেন এবং সেখান হতে ১০০/- করে কমিশন নেন।এইটা যদি না করে তাহলে প্রিন্সিপাল শিক্ষার্থীদের মারধর করেন।প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অনুষ্ঠান,মাহফিলে অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নগদ টাকা আদায় করেন।স্কাউট ফি নামক টাকা আদায় করে সারাদিন স্কাউটরা কাজ করলেও তিনি স্কাউটদের নাস্তা ও করান না বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ প্রিন্সিপালের সকল যাবতীয় খারাপ কাজে সহযোগিতা করেন হিসাব রক্ষক।তিনি ২০১৮ সালের ছাত্রদের উপবৃত্তির টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ রয়েছে। ১৬ থেকে ১৭ বছর তিনি প্রতিষ্ঠানে আছেন।
এছাড়া কারিগরি বোর্ডের মহাপরিচালক বরাবর আরেকটি অভিযোগ পত্র স্বয়ং অভিভাবকরা দাখিল করেন।তারা উল্লেখ করেন ২০২০-২১ অর্থবছরে দুটি ইন হাউস ট্রেনিং থেকে মোট সম্মানির ৮০% টাকা প্রিন্সিপাল নিজে নেন। কেনাকাটা অ্যাপায়নের নামে টাকা আত্মসাৎ করেন।ভুয়া বিল ভাউচার ইত্যাদি দেখিয়ে তিনি প্রযুক্তি ৩০ শতাংশ বিল করান প্রতিষ্ঠানের যে কোন পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে নিজে খেজুর খাওয়ার নাম করে ১০% টাকা তিনি নিয়ে যান। ২০২০-২১ অর্থবছরে ৮০০ লিটার এবং ২০২২ সালে ৪০০লিটার ডিজেল তেল ক্রয় দেখিয়ে পুরো টাকা তিনি আত্নসাৎ করেন।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে ফেনী পৌরসভার মেয়র নজরুল ইসলাম স্বপন মিয়াজী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী, স্থানীয় কাউন্সিলর রুপম সহ বিভিন্ন প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত হন। এ সময় পৌর মেয়র বলেন, শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি সমূহ আমরা অবশ্যই গ্রহণ করব। এ বিষয়ে আমরা পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত জানাবো। তবে এখন কোন বিশৃঙ্খলা অথবা কোন অপ্রীতিকর ঘটনা সৃষ্টি যাতে না হয় সে বিষয়ে সকলকে সহযোগিতা করতে হবে।
অভিযুক্ত অধ্যক্ষ কাজী মেজবাউল আলম জানান আজকের এই ঘটনা সম্বন্ধে তিনি কিছুই জানেন না। তিনি সকালবেলা যখন ছাত্রদের ঝড়ো হতে থাকে তখন তিনি চারজন শিক্ষক কে পাঠিয়েছিলেন। এছাড়াও শিক্ষার্থীরা তার বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ এনেছে তা কোনোটিই সত্য নয়।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী বলেন, আমরা শিক্ষার্থীদের দাবি জেনেছি। জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সাথে কথা বলবো। কথা বলে দপ্তরে প্রেরণ করবো। দপ্তর থেকে যে নির্দেশনা আসে আমরা তা বাস্তবায়ন করবো।

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর
© All rights reserved © 2023 Dhaka Post 71
Theme Customized By Shakil IT Park