1. admin@dhakapost71.com : admin :
  2. dhakapost71@gmail.com : dhakapost71 :
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সাভারের আমিন বাজারে ল্যান্ডফিলের আটশত লিটার তেল পাচারকালে একজন আটক, ট্রাক জব্দ নিকলীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গাপূজা ইসলামী রাষ্ট্রনির্মাণ: পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ নেককাজ। সকল ইসলামী শক্তি ঐক্যবদ্ধ হওয়া সময়ের দাবি- তেলিয়াপাড়া চা বাগানে ভেকু কাজের ২ লাখ ৬৮ হাজার ৯০০ টাকা পাওনার অভিযোগ। কবিরহাটে খাল গিলে খাচ্ছে বহুতলভবন পোরশার এক কৃষকের জমি জবরদখলের চেষ্টা, প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ সাভারের আব্বাস হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় শিশুর মৃত্যু পোরশায় বিভিন্ন পূজা মন্ডপে পরিদর্শন করলেন সংসদ সদস্য মোঃ- মোস্তাফিজুর রহমান বরগুনার বেতাগীতে দীর্ঘ ৬ দশকেও মেলেনি বাবার পরিচয়, পৈতৃক স্বীকৃতির অপেক্ষায় বাবুল খান। পোরশায় রিং জাল বসানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, মাথায় আঘাতে যুবকের মৃত্যু

পোরশার এক কৃষকের জমি জবরদখলের চেষ্টা, প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৪ বার পঠিত

পোরশা (নওগাঁ) প্রতিনিধি

নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার বাদে চাকলা মৌজায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে জবরদখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুই বর্গাচাষির বিরুদ্ধে। জমির দাবিদার বাসারতের অভিযোগ, প্রতিপক্ষের বর্গাচাষিরা তাঁকে জমি ছেড়ে দিতে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। এ নিয়ে একাধিকবার স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠক হলেও বিরোধের নিষ্পত্তি হয়নি।

বাসারত নওগাঁর পোরশা উপজেলার নিতপুর মাস্টারপাড়া এলাকার মৃত বশির উদ্দিন মিয়ার ছেলে। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন নিয়ামতপুর উপজেলার জামুরহাট গ্রামের ফখরুল আহসান এবং বাদে চাকলা গ্রামের শহিদুল ইসলাম ওরফে গোলাপ ও মো. ইব্রাহিম। ফখরুলের বর্গাচাষি হিসেবে শহিদুল ও ইব্রাহিম ওই জমি চাষাবাদ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বাদে চাকলা মৌজার জে.এল. নম্বর ১৫৪, খতিয়ান নম্বর ৮৩-এর ৩৩২, ৩৩৭ ও ৩৫৪ নম্বর দাগের জমির পরিবর্তে একই খতিয়ানের ছয়টি দাগে মোট সাড়ে পাঁচ বিঘা জমি মৌখিক বিনিময়ের শর্তে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন বাসারত ও ফখরুল। পরে জমির দখল ও মালিকানা নিয়ে তাঁদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়।

বাসারতের অভিযোগ, ফখরুলের বর্গাচাষি শহিদুল ওরফে গোলাপ ও ইব্রাহিম তাঁর দখলে থাকা জমি জবরদখলের চেষ্টা করছেন। জমি ছেড়ে দিতে তাঁকে ভয়ভীতি দেখানোর পাশাপাশি প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠক হলেও কোনো সমাধান হয়নি।

বাসারত দাবি করেন, জমিসংক্রান্ত বিরোধে তাঁর পক্ষে আদালতের রায় রয়েছে। এ ছাড়া জমির নামজারি, খাজনা ও ডিসিআর-সংক্রান্ত কাগজপত্রও তাঁর কাছে রয়েছে। তবে এসব নথি ও আদালতের রায়ের বিষয়টি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় কৃষক আলাউদ্দিন ওরফে আলম বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে এই জমি নিয়ে বিরোধ দেখে আসছি।

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর
© All rights reserved © 2023 Dhaka Post 71
Theme Customized By Shakil IT Park