
মোঃ শহিদুল ইসলাম
নিজস্ব প্রতিবেদক খুলনাঃ-
খুলনার দিঘলিয়া ভৈরব, আতাই ও মজুদখালি নদী বেষ্টিত একটি দ্বীপ । সবুজের সমারোহ এ জনপদকে করেছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি। শান্তি ও সমৃদ্ধির এ জনপদ বরাবরই উচ্চ-শিক্ষার সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিলো। এ অঞ্চলের মানুষের জীবন ও শিক্ষার মান উন্নয়নে মরহুম দানবীর এম এ মজিদ জীবন দশায় স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা সহ অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত করেছেন। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।যুগযুগ ধরে তিনি এ অঞ্চলের মানুষের কাছে স্মরণীয় বরণীয় হয়ে থাকবেন।
জানাযায়, খুলনার দিঘলিয়া উপজেলা মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষা ক্ষেত্রে দিন দিন পিছিয়ে পড়েছিল। এ বিষয়টি এম এ মজিদ জীবন দশায় উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন। তাই তিনি এ অঞ্চলের মানুষের কথা চিন্তা করে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা ব্যবস্থা সহজ করার জন্য এবং উচ্চ শিক্ষার সার্বিক সম্প্রসারনের লক্ষ্যে বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী দানবীর এম এ মজিদ এ জনপদে একে একে প্রতিষ্ঠা করেন দিঘলিয়া এম এ মজিদ মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সরকারি এম এ মজিদ ডিগ্রি কলেজ, আয়তুন্নেছা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, মহেশ্বরপুর মোমেনিয়া মাদ্রাসা। এ ছাড়া ফুলবাড়িগেটে প্রতিষ্ঠা করেন ইউসেপ এম এ মজিদ স্কুল। দৌলতপুর (দিবা/নৈশ) কলেজ প্রতিষ্ঠাতায়ও অসামান্য অবদান রাখেন তিনি। তার মৃত্যুর তিন দশক পরও মানুষের কাছে তিনি স্মরণীয় হয়ে রয়েছেন।
মহৎ কর্মের জন্য মৃত্যুর তিন দশক পরও তিনি দিঘলিয়াবাসীসহ খুলনার মানুষের কাছে স্মরণীয় হয়ে রয়েছেন। ১৭ অক্টোবর বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী দানবীর এম এ মজিদ এর ৩১তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৯৪ সালের এই দিনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। ১৯৩৭ সালের ১২ ডিসেম্বর খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার দিঘলিয়া গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
জীবন দশায় তিনি মানুষের জন্য নিবেদিত প্রাণ ছিলেন। যুগযুগ ধরে স্মরণীয় থাকবে। মৃত্যুবার্ষিকীতে মহৎ এ ব্যক্তির জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের কাছে দোয়ার দরখাস্ত রইল।