
ইমাম হোসেন হৃদয়
পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি
২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের ছুটির সঙ্গে সাপ্তাহিক ছুটিসহ টানা চার দিনের ছুটিকে কেন্দ্র করে অগ্রিম বুকিং শুরু হয়েছে সাগরকন্যা কুয়াকাটায়। রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত কুয়াকাটার আবাসিক হোটেলগুলোর প্রায় ৮৫ শতাংশ রুম অগ্রিম বুকিং হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইব্রাহিম ওয়াহিদ।
তিনি বলেন, আগামী ২১-২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কুয়াকাটায় থাকা প্রথম শ্রেণির হোটেলগুলো এরইমধ্যে ৮০-৯০ শতাংশ এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির হোটেলগুলোর ৭০ শতাংশ রুম এরইমধ্যে অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে। ২১শে ফেব্রুয়ারি বুধবার, এরপর শুক্র-শনিবার পর্যন্ত অনেকেই চারদিনের ছুটি তৈরি করেছেন। যে কারণে আমরা প্রত্যকটা হোটেল ২২ ও ২৩ তারিখের সবচেয়ে বেশি বুকিং পেয়েছি। তার সঙ্গে বাকি দিনগুলোতে একটু কম বুকিং হলেও ওই চারদিনকে ঘিরে আমরা বাড়তি প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। হোটেল সানফ্লাওয়ারের ম্যনেজার জানান, মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আমার হোটেলের মোট ৭০ % রুম এখন পর্যন্ত বুংকি ২১ ও ২৩ তারিখে শতভাগ বুক ২২ ও ২৪ তারিখে ৭০ শতাংশ বুকিং। হাতে যে কয়দিন আছি এর মধ্যেও বাকিগুলো সব বুকিং হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা এখনো অনেক ফোন পাচ্ছি, চাহিদা মতো পর্যটকদের রুম বুকিং দিতে পারছি না। কুয়াকাটা ট্যুর গাইড অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কেএম বাচ্চু ঢাকা পোস্ট ৭১ নিউজকে বলেন, ফেব্রুয়ারি মাসজুড়ে আমরা পর্যটক পাচ্ছি। বেশিরভাগ পর্যটক ডে-ট্যুরে এসে থাকেন। তবে মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আমরা দুই-তিন দিন থাকার মতো পর্যটক পেয়েছি। লম্বা এই বন্ধকে কেন্দ্র করে কুয়াকাটায় অগ্রিম বুকিং এর হিড়িক পড়েছে। তাই এখন থেকে কুয়াকাটায় যারা আসবেন তাদের জন্য পরামর্শ, অবশ্যই রুম আগেভাগে বুকিং দিয়ে আসবেন। না হয় এখানে এসে ভোগান্তিতে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রস্ততি নিচ্ছে ব্যবসায়ীরা কুয়াকাটা এন্টারপ্রাইজের ম্যানেজার বলেন বর্তমানে আমাদের অনেক মালে সংকট এবং অনেক মাল পাওয়াও যাচ্ছে না। তআশা করছি এই বাকি দুই দিনে সব কিছু ম্যানেজ হবে
থ্রি ফেন্ডস শুটকি হাউজের ম্যানেজার মাইনউদ্দিন বলেন আমাদের যে মাছের চাহিদা তা এ বছর ঠিক মতো দিতে পারতিছি না কারুন আমরা সব মতো মাছ শুটকি করতে পারিনি তাই একটু হিমশিমে আছি।
কুয়াকাটা হোটেল মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের তথ্যমতে, কুয়াকাটায় ছোট-বড় ২০০টির বেশি হোটেল রয়েছে, যার ধারণক্ষমতা ২০-২৫ হাজার। কিন্তু ছুটির দিনগুলোতে অসংখ্য পর্যটকের আগমনের কারণে অনেক পর্যটক পার্শ্ববর্তী বাসাবাড়ি, গাড়ির ভেতরে রাত্রী যাপন করেন, আবার অনেকে সারাদিন ভ্রমণ শেষে রাতে নিজ গন্তব্যেও ফিরে যান। ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা রিজিয়নের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাহাত গাওহারী জাগো নিউজকে জানান, আগামী চারদিনের ছুটিতে অসংখ্য পর্যটকের আগমন ঘটবে কুয়াকাটায়। যে কারণে আগে থেকেই ট্যুরিস্ট পুলিশের কয়েকটি টিম মোতায়েন রয়েছে। সার্বক্ষণিক নজরদারি ও গোয়েন্দা টিম মনিটরিং করছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : আজিজুর
রহমান
নির্বাহী সম্পাদক : মাহফুজুর
রহমান