
মোঃ মাসুদ রানা (রাঙ্গাবালী) প্রতিনিধি পটুয়াখালী রাঙ্গাবালী নদ নদীতে স্বাভাবিকের চেয়ে জোয়ারের পানি বেড়েছে ৪থেকে ৫ ফুট।এর ফলে কোথাও ভাঙা বাধ ভেঙ্গে কোথায় ভাধ উপচে জোয়ারের পানি ঢুকে পড়েছে লোকালয়। প্লাবিত হয়েছে নিচু এলাকাগুলোও।নতুন করে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কয়েকটি এলাকার বেড়িবাধ।জানা গেছে সকাল দশটা থেকে দুপুর দেরটা পর্যন্ত নদ নদীতে জোয়ারে পানি প্রবাহিত হয়। এই সময় ভাঙ্গাবাধ দিয়ে জোয়ারের পানি ঢুকে উপজেলার চালিতাবুনিয়া ইউনিয়নের মধ্য চালিতাবুনিয়া ,বিবির হাওলা, চীনা বুনিয়া ও গরু ভাঙ্গা গ্রাম প্লাবিত হয়। অন্যদিকে চরমোনতাজ ইউনিয়নের চরআন্ডা গ্রামেও অনেক আগ থেকেই ভেঙ্গে থাকা বাদ দিয়ে জোয়ারের পানি প্রবেশ করেছে লোকালয়।এছাড়া চরমোন্তাজ ইউনিয়নের বউবাজার দক্ষিন চরমনতাজ, হিন্দুগ্রাম, মিটার বাজার ও নারাচার এলাকায় কোথাও বাঁধ ভেঙ্গেছে এবং কোথাও ভাধ উপচে জোয়ারের পানি ঢুকে পড়ে ওইসব গ্রামে। শুধু তাই নয় উপজেলার বিস্তীর্ণ নিচু এলাকা এবং বেরিবাদের বাহিরের এলাকা গুলো প্লাবিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বন্যা নিয়ন্ত্রণের বাধের বাহিরে উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের কোরালিয়া চরমোন্তাজ ইউনিয়নের মোল্লা গ্রাম বেরিবাধহিন সদর ইউনিয়নের চরকাসেম, চরযমুনা চর কানকুনি যুগির হাওলা কাটাখালি ছোট ইউনিয়নের প্লাবিত হয়। তবে রাত ২টার পর নদ নদীতে কমতে শুরু করেএসব এলাকা থেকে। স্থানীয়রা তাদের ভাষ্যমতে নতুন করে কয়েকটি এলাকার ভেরি বাধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে চরমোন্তাজ ইউনিয়নের দক্ষিণ চরমোন্তাজ চরআন্ডা এবং চারটে বুনি আর কয়েকটি পয়েন্ট। মৎস্য বিভাগের প্রাথমিক তথ্যমতে উপজেলার প্রায় এক হাজার পুকুর ও ঘেরের মাছ পানিতে ভেসে গেছে। এতে মৎস্য চাষীদের ক্ষতি হয়েছে প্রায় সারে তিন কোটি টাকা। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, চরমোন্তাজ, চর আন্ডা এবং দক্ষিণ চরমোন্তাজ নতুন করে বাঁধ ভেঙ্গে পানি ঢুকছে। ভাঙ্গা বাঁধ থেকে
সম্পাদক ও প্রকাশক : আজিজুর
রহমান
নির্বাহী সম্পাদক : মাহফুজুর
রহমান