প্রবাসী মিন্টু মিয়ার স্ত্রী পিপাসা আক্তার ও ০৪ সন্তান ফিরে পেলেন তাদের পূর্ণ অধিকার।
মাধবপুর হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ রুহুল আমীন খান উজ্জ্বল।
মাধবপুর থানা দিন বহড়া ইউনিয়ন মনতলা মধ্য রাজাপুর ১২ অক্টোবর স্থানীয় মেম্বার ফরিদ মিয়া এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ প্রতিবেশী সবাই কে দেখতে পেলাম ২০০/৩০০ মানুষের উপস্থিতি আলী হাম্মাদ উনার বাড়িতে, মানুষের সমাগম দেখে জিজ্ঞাসা করে জানতে পারলাম ঘটনা কি, আলী হাম্মাম প্রবাসি মিন্টু মিয়ার বাবা, পুত্রবধূ পিপাসা ও ০৪ নাতনিনকে ঘরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না তালা মেরে ছলে গিয়েছে অন্য কোথাও।
শশুর আলী আহাম্মদের উদ্দেশ্য ছিল পুত্রবধু এবং তার ০৪ সন্তানকে অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে চায়, কিন্তু এলাকার পাড়া-প্রতিবেশী দাবী হচ্ছে পুত্রবধূ কে পূর্বের নেই অধিকার ফিরে পাক। সম্পূর্ণ বিস্তারিত জানার পর আমি তখন আমাদের মাধবপুরের মানবিক ইউএনও এ কে এম ফয়সাল মহোদয় স্যার কে অবগত করি তখন স্যার বলল ঠিক আছে আমি দেখছি। তাৎক্ষণিক বহরা উইনিয়নের চেয়ারম্যান আলউদ্দিন সাহেব ও মেম্বার ফরিদ মিয়া উনাকে পাঠানো হয় ঘটনাস্থাল, ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত হলেন আমাদের ইউএনও মহোদয় স্যার।
১৩ অক্টোবর নিউজ পাবলিশ হয়, ১৪ তারিখ ১৪ অক্টোবর আলউদ্দিন চেয়ারম্যানের মাধ্যমে উভয় পক্ষকে ইউএনও মহোদয়ের অফিসে আসার জন্য আহ্বান জানান, এতে সবাই আসেন উপস্থিত ছিলেন বহরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন সাহেব ও চৌমুহনী ইউনিয়নের সোহাগ চেয়ারম্যান স্থানীয় মেম্বার ফরিদ মিয়া এবং এলাকার পাড়া প্রতিবেশী গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গগণ সবার উপস্থিতিতে উভয়পক্ষের কথা শোনার পর ইউএনও মহোদয় এই ফয়সালা উপনীত হলেন অঙ্গীকারনামা করে পুত্রবধূকে এবং চার নাতনিন কে পূর্বের নেই শশুরের জিম্মায় ঘর সংসার করার আদেশ দেন শশুর তা মেনে নিয়েছেন এবং পুত্রবধূকে বলেছেন শশুর এবং শাশুড়িকে শ্রদ্ধা সম্মান রেখে চলার জন্য।
মানবিক ইউএনও এ কে এম ফয়সল মহোদয় স্যারের এমন আচরণ দেখে এলাকাবাসী পাড়া-প্রতিবেশী ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ আনন্দিত এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। এবং প্রতিটা মানুষের মুখের বাক্য হচ্ছে এমন মানবিক ইউএনও যদি প্রতিটা উপজেলায় থাকে তাহলে উপজেলা বাসী নেয় বিচার থেকে বঞ্চিত হবে না।
সম্পাদক ও প্রকাশক : আজিজুর
রহমান
নির্বাহী সম্পাদক : মাহফুজুর
রহমান