টেকনাফ প্রতিনিধি :
কক্সবাজার জেলা টেকনাফ উপজেলায় গত ০৪/১০/২০২৪ ইং তারিখ শুক্রবার ভিকটিম মোহাম্মদ হামিম (১৫) দুপুর অনুমান ০১.০০ ঘটিকার সময় জুম্মা নামাজের উদ্দেশ্যে ঘর হইতে বাহির হয়। নামাজ শেষে ভিকটিম বাড়িতে ফেরার পথে ১নং বিবাদী মোহাম্মদ সেলিমের সাথে দেখা হয়। ১নং বিবাদী মোহাম্মদ সেলিম ভিকটিমকে ফুসলিয়ে টেকনাফ থানাধীন শাহপরীরদ্বীপ এলাকায় বেড়াতে নিয়ে যায়। বিকাল গড়িয়ে সন্ধ্যা হয়ে গেলে ভিকটিম বাড়ি না ফিরলে ভিকটিমের মা সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজাখুজি করতে থাকে। খোঁজাখুজির একপর্যায়ে ইং ০৫/১০/২০২৪ তারিখ রাত ১১.০০ ঘটিকার সময় অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি তাহার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর হইতে ভিকটিম মায়ের মোবাইল নম্বর ফোন দিয়ে জানায় যে তাহার ছেলে ভিকটিম মোহাম্মদ হামিম (১৫) অপহরণকারীদের নিকট আটক আছে এবং ভিকটিমের মুক্তিপণ বাবদ ৭০,০০০/- টাকা দাবী করে। তাদের দাবীকৃত মুক্তিপণের টাকা না দিলে বিবাদীরা আমার ছেলেকে প্রাণে হত্যা করিবে মর্মে হুমকি-ধমকি প্রদান করে। পরবর্তীতে ভিকটিমের মা টেকনাফ মডেল থানায় উপস্থিত হয়ে থানা পুলিশকে তাহার ছেলের অপহরণের বিষয়টি অবগত করে।
পরবর্তীতে জনাব মুহাম্মদ রহমত উল্লাহ, পুলিশ সুপার, কক্সবাজার মহোদয়ের সার্বিক নির্দেশনা মোতাবেক তদন্তকারী কর্মকর্তা ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে অভিযান শুরু করেন। গোপন অনুসন্ধান ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে অপহরণকারীদের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর এর Last Location এর মাধ্যমে অপহরণকারীদের বর্তমান অবস্থান শনাক্ত করে পুলিশের অভিযানিক টিম ০৬/১০/২০২৪ইং তারিখ বিকাল অনুমান ০৫.০০ ঘটিকার সময় টেকনাফ মডেল থানাধীন টেকনাফ সদর ইউপিস্থ দক্ষিন লম্বরী সাকিনে ৫নং আসামী ফয়সাল (২৮) এর বসত ঘরের সামনে উপস্থিত হইলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে উপরোক্ত বিবাদীগণ পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে পুলিশের অভিযান টিমের সদস্য ১। পারভেজ মোশারফ (১৯), পিতা-হাসান আলী, মাতা-ফরিদা খাতুন, সাং-কচ্ছপিয়া করাচিপাড়া, ০৮নং ওয়ার্ড, বাহারছড়া ইউপি, ২। নুরুল আফছার (১৯), পিতা-মনির আহমেদ, মাতা-রশিদা খাতুন, সাং-উত্তর লম্বরী, ০৭নং ওয়ার্ড, টেকনাফ সদর ইউপি, উভয় থানা-টেকনাফ, জেলা-কক্সবাজারদ্বয়কে আটক করিয়া ভিকটিম মোহাম্মদ হামিম (১৫)’কে উদ্ধার করে। পরবর্তীতের ভিকটিমের মা থানায় হাজির হইয়া এজাহার দায়ের করিলে টেকনাফ মডেল থানার মামলা নং-১৮/৫৪০, তাং-০৭/১০/২০২৪ইং, ধারা-৭/৮/৩০ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০২০) রুজু করা হয়। ধৃত আসামীদ্বয়কে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হইতেছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : আজিজুর
রহমান
নির্বাহী সম্পাদক : মাহফুজুর
রহমান