
শামসুদ্দোহা
শ্রীপুর(গাজীপুর)
গাজীপুর সদর উপজেলায় দুই যুবককে ধরে নিয়ে চুরির অপবাদ দিয়ে বেধড়ক মারধর এবং অন্ডকোষ ফাটানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে সামসছুল আলম নামে এক মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে। পরে অভিযোক্ত দুই চুরকে নির্যাতনের খবর পেয়ে তাদের পরিবারের লোকজন ঐ মুক্তিযোদ্ধাকে মারধর করে। এতে ওই মুক্তিযোদ্ধা গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নিয়ে ভর্তি করে।
এদিকে ওই মুক্তিযোদ্ধা চুরির অভিযোগে যুবকদের মারধরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছরিয়ে পরলে তা মুহূর্তেই ভাইরাল হল। এবং মুক্তিযোদ্ধার এমন কর্মকাণ্ডে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠে।
গত বুধবার (২৯শে মে) সদর উপজেলার ভাওয়ালগড় ইউনিয়নের পচ্ছিম নয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত ২৮শে মে মঙ্গলবার মধ্যরাতে নাজমুল জেনারেল স্টোর থেকে চুরির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় গত ২৯শে মে বুধবার চুরি করার সন্দেহে স্থানীয় মনুমিয়ার ছেলে নাদিম (২০) এবং বাদশা মিয়ার ছেলে লিটন (২৬) কে একটি বাসায় ধরে নিয়ে যায় দোকান মালিক নাজমুল ইসলাম ও মুক্তিযোদ্ধা
সামসছুল আলমসহ বেশ কিছু স্থানীয় লোকজন। পরে ওই বাসায় তাদের উপর চালানো হয় শারীরিক নির্যাতন। নির্যাতন চালানোর একপর্যায়ে চুরি করার কথা ওই দুই যুবক স্বীকার করলে রাতেই তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেয় স্থানীয় লোকজন। এ ঘটনায় নাজমুল জেনারেল স্টোরের মিলিক নাজমুল ইসলাম বাদী হয়ে জয়দেবপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
এদিকে দুই যুবককে চুর সন্দেহে নির্যাতনের ঘটনার একটি ভিডিও তাদের পরিবারের লোকজন দেখতে পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই মুক্তিযুদ্ধের উপর হামলা চালায়। এতে ওই মুক্তিযোদ্ধা গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা
তাকে উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে। মারামারি এই ঘটনায় উভয় পক্ষই জয়দেবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
দু’টি পরিবারের লোকজনেরই দাবি, পূর্ব শত্রুতার জেরে মারধরের ঘটনা ঘটেছে।
জয়দেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইবরাহিম খলিল জানান, এ ঘটনায় দুই পক্ষেরই অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি আমরা তদন্ত করে দেখছি তদন্তের পর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : আজিজুর
রহমান
নির্বাহী সম্পাদক : মাহফুজুর
রহমান