
মাহাবুব হাসান খান, স্টাফ রিপোর্টার
কালিয়াকৈরে মহাসড়ক, লোকাল সড়ক ও ফুটপাতে দোকান বসিয়ে চাঁদাবাজি চলছে। ঢাকা- টাঙ্গাইল মহাসড়কের উপজেলার কালিয়াকৈর বাজার রোড, কালিয়াকৈর বাস স্টেশন জামে মসজিদ থেকে ফুলবাড়িয়া স্টেশন পর্যন্ত মহাসড়কের দুই পাশে, চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় ফ্লাইওভারের নিচে, মহাসড়ক, লোকাল লেন ও ফুটপাতে, খাড়াজোড়া এলাকায় ফ্লাইওভারের নিচে, পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় মহাসড়কের দুই পাশের লোকাল সড়ক ও সফিপুর বাস স্টেশন এলাকায় ফ্লাইওভারের নিচে, লোকাল সড়ক ও ফুটপাতে কয়েক শ ভাসমান দোকান বসিয়ে লাখ লাখ টাকা চাঁদাবাজি করছে একটি চক্র। এসব ভাসমান দোকান থেকে প্রতিদিন ১০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা করে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে বলে অনুসন্ধানে জানা যায়। প্রতিদিন সন্ধ্যায় চাঁদাবাজদের নিযুক্ত প্রতিনিধি এসে এসব ভাসমান দোকানিদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করে বলে সফিপুর ফ্লাইওভারের নিচের এক ভাসমান দোকানি জানান। এসব ভাসমান দোকানের কারণে নির্বিঘ্নে
মহাসড়কে যানবাহন চলাচল করতে পারে না।
যানজট ও সড়ক দুর্ঘটনা স্বাভাবিক ঘটনা। দোকানের কারণে পথচারীরা নির্বিঘ্নে ফুটপাতে যাতায়াত করতে পারে না। এসব এলাকায় ভাসমান দোকানের কারণে বেলা ৩টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত লোকাল সড়কে যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে। ফলে সিএনজি অটোরিকশাসহ ছোট ছোট যানবাহনকে বাধ্য হয়ে মহাসড়কে চলাচল করতে হয়। অবৈধভাবে মহাসড়কে চলাচল করায় অনেক সময় দুর্ঘটনার মুখোমুখি হতে হয়। বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার কালিয়াকৈর শাখার সভাপতি মো. শাহজাহান মিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় এসব দেখার কেউ নেই। তিনি মহাসড়ক, লোকাল লেন, ফুটপাত ও ফ্লাইওভারের নিচে দোকান বসিয়ে চাঁদা আদায় বন্ধের দাবি জানান।
নাওজোর হাইওয়ে থানার ওসি মো. শাহাদত হোসেন বলেন, খুব দ্রুত এসিল্যান্ডের সঙ্গে কথা বলে বড় ধরনের অভিযানের মাধ্যমে মহাসড়ক, ফুটপাত, লোকাল লেন ও ফ্লাইওভারের নিচ থেকে ভাসমান দোকানগুলো অপসারণ করা হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : আজিজুর
রহমান
নির্বাহী সম্পাদক : মাহফুজুর
রহমান