
নুর আলাম বিপ্লব
নোয়াখালী
নোয়াখালীর কবিরহাটে যুবদল নেতা মো. আজাদ (৩৬) হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ১ নম্বর আসামি মো. ফারুক ওরফে কামাল হোসেন ফারুককে (৪৮) চট্টগ্রামের বাঁশখালী থেকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালী।বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টা ১০ মিনিটের দিকে চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী থানাধীন রামদাস মুন্সিরহাট গরুর বাজারের সামনে প্রধান সড়কে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তার ফারুক নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার দক্ষিণ আলীপুর এলাকার বাসিন্দা। তিনি মামলার এজাহারনামীয় ১ নম্বর আসামি বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।এসআরবি-১১ সূত্রে জানা যায়, গত ৭ আগস্ট রাত আনুমানিক ১টা ২০ মিনিট থেকে বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটের মধ্যে পূর্বশত্রুতার জেরে মো. আজাদকে
বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়।পরে কবিরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ আলীপুর এলাকায় মো. হানিফ মিয়ার বাড়ির পেছনে পশ্চিম পাশে মাছের প্রজেক্টের মধ্যে তাকে গলায় রশি ও লোহার চেইন পেঁচিয়ে টানাহেঁচড়া করে হত্যা করা হয় বলে মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহত আজাদের বোন মোসা. লাভলী (৪৩) বাদী হয়ে কবিরহাট থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।মামলা দায়েরের পর হত্যাকাণ্ডে জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায় এসআরবি-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালী।এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবি-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের যৌথ আভিযানিক দল সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে বাঁশখালীতে অভিযান চালিয়ে ফারুককে গ্রেপ্তার করে।গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।এসব তথ্য জানিয়েছেন এসআরবি-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালীর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ও কোম্পানি কমান্ডার (ভারপ্রাপ্ত) মিঠুন কুমার কুণ্ডু।
সম্পাদক ও প্রকাশক : আজিজুর
রহমান
নির্বাহী সম্পাদক : মাহফুজুর
রহমান